বহিরাঙ্গনের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা (পাঠ ২)

ক বিভাগ- গৃহ ও গৃহ ব্যবস্থাপনা - গার্হস্থ্যবিজ্ঞান - ষষ্ঠ শ্রেণি | NCTB BOOK

602

সুস্থতা ও মানসিক তৃপ্তি বজায় রাখার জন্য গৃহের ভিতরের মতো এর বাইরের স্থানগুলো নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

গৃহের বাইরের পরিবেশকে পরিষ্কার রাখার জন্য যে সব ব্যবস্থা থাকতে হবে-

  • আঙিনায় ঝরে পড়া পাতা, শুকনা ডাল ইত্যাদি সরিয়ে ফেলা।
  • গৃহের চারপাশে ঝোপঝাড় না হতে দেওয়া।
  • ঘাস কাটা ও আগাছা পরিষ্কার করা।
  • ছাদ বা চালা পরিষ্কার রাখা।
  • নালা-নর্দমা পরিষ্কার রাখা ইত্যাদি।

বহিরাঙ্গনে বড় গাছ থাকলে, বছরে একবার ডালপালা ছেঁটে দিতে হবে। এতে গাছের ভালো বৃদ্ধি হয়, বাড়িঘরে সূর্যের আলো প্রবেশ করতে পারে। ঘরের ছাদ বা চালা সপ্তাহে একদিন ভালো করে ঝাড়ু দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। ঘরের ছাদে যেন পানি জমে না থাকে সে দিকেও লক্ষ রাখতে হবে। ছাদে পানি জমে ঘরের দেয়াল, সিলিং স্যাঁতসেতে হলে তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হবে। টিনের চালা ফুটো হয়ে গেলে তা মেরামত করতে হবে। প্রয়োজনে নতুন টিন লাগাতে হবে।

বহিরাঙ্গনে বড় গাছ থাকলে, বছরে একবার ডালপালা ছেঁটে দিতে হবে। এতে গাছের ভালো বৃদ্ধি হয়, বাড়িঘরে সূর্যের আলো প্রবেশ করতে পারে। ঘরের ছাদ বা চালা সপ্তাহে একদিন ভালো করে ঝাড়ু দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। ঘরের ছাদে যেন পানি জমে না থাকে সে দিকেও লক্ষ রাখতে হবে। ছাদে পানি জমে ঘরের দেয়াল, সিলিং স্যাঁতসেতে হলে তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হবে। টিনের চালা ফুটো হয়ে গেলে তা মেরামত করতে হবে। প্রয়োজনে নতুন টিন লাগাতে হবে।

শহরাঞ্চলে নালা-নর্দমার সাহায্যে বাড়ির ময়লা পানি, তরল বর্জ্য পদার্থ বের হয়ে মাটির নিচের বড় পাইপে যেয়ে পড়ে। নালা-নর্দমার উপরিভাগ খোলা থাকলে নিয়মিত এগুলো পরিষ্কার করতে হবে। বাড়ির আবর্জনা, পলিথিনের ব্যাগ ইত্যাদি নালায় ফেললে পানি চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। ময়লা পানি উপচে পড়ে পরিবেশকে দূষিত করবে, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এ ব্যাপারে আমাদের সচেতন হতে হবে। লম্বা হাতওয়ালা ব্রাশ, বাঁশের চটা ইত্যাদি দিয়ে আমরা প্রতিদিন নালা-নর্দমার পানি চলাচলের পথ পরিষ্কার রাখব। জীবাণুমুক্ত রাখার জন্য মাঝে মাঝে ফিনাইল, ব্লিচিং পাউডার ছিটিয়ে দিতে হবে।

বাড়ির আঙিনায় কোথাও যেন বৃষ্টির পানি জমে না থাকে, সেজন্যে মাটিতে পানি সরে যাবার নালা তৈরি করে দিতে হবে। জমে থাকা পানিতে এডিস মশা ডিম পেড়ে বংশ বিস্তার করে। ফলে ডেঙ্গুজ্বর হবার আশঙ্কা থাকে।

অনিক মাঝে মাঝেই স্কুলে যায় না। প্রায় সারা বছরই সে সর্দি, কাশি, জ্বরে আক্রান্ত থাকে। ফলে তার মন ভালো থাকে না। কোনো কাজেই আনন্দ পায় না। বন্ধুরা একদিন ওর বাড়িতে যেয়ে দেখল, বাড়িটা খুবই স্যাঁতসেতে ও অন্ধকার। বাড়িটার আঙিনায় বড় বড় গাছের ডালপালা কাটা হয় না বলে সূর্যের আলো, বাতাস সেখানে প্রবেশ করতে পারে না। বাড়ির পরিবেশটা স্বাস্থ্যসম্মত না হওয়ায় অনিক অসুস্থ হয়ে পড়ে। আমাদের মনে রাখতে হবে, সুস্থ থাকতে হলে গৃহের ভিতর ও বাইরের সব পরিবেশকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

কাজ-১ : গৃহের বাইরের স্থানগুলো পরিষ্কার রাখতে তুমি তোমার পরিবারকে কীভাবে সাহায্য করতে পার?
কাজ-২ : সহপাঠীরা মিলে তোমরা বিদ্যালয় প্রাঙ্গন পরিষ্কার করবে। কে কী কাজ করবে তার একটা তালিকা তৈরি করো।
Content added || updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

Promotion

Are you sure to start over?

Loading...